ইসলাম একটি পুর্নাঙ্গ জীবন বিধান।একজন মোসলমানের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি কাজই কোরআন ও হাদিসের আলোকে
হতে হবে।তাই মোসলমানদের নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রেও ইসলামী বিধান মানা আবশ্যক।ইসলামী নাম নির্বাচন একটি গুরুত্বপুর্ন
বিষয়।কারন।হাশরেরে ময়দানে আল্লাহ পাক মানুষের নাম ধরেই ডাকবেন।তাই নাম নির্বার্চনের ক্ষেত্রে ভুল হলে বিচারের পুর্বেই আসামী হতে হবে।কোরআনে ও হাদীসে যে সকল নাম পাওয়া যায় সে গুলিই ইসলামী নাম।রাসুল পাক সাঃ ভাল নাম পছন্দ করতেন ও খারাপ নাম ঘৃনা করতেন।তাই রাসুল পাক সাঃ বহু সাহাবির নাম নাম পরির্তন করে নুতন নাম রেখেছেন।নাম ধারীর উপর ভাল মন্দ নামের প্রভাব আছে।
আল্লাহর কাছে সব চেয়ে প্রিয় নাম আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রাহমান।রাসুল পাক সাঃ ২০ জনেরও অধিক সাহাবির নাম পরিবর্তন করে এই নাম রাখেন।সাহাবিদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জনের নাম ছিল আব্দুল্লাহ ও শতাধিক সাহাবির নাম ছিল আব্দুর রাহমান।
আল্লাহর নামের পুর্বে 'আবদ' (গোলাম বা চাকর) যোগে নামকরন আল্লাহর খুব প্রিয়।যেমন- আব্দুল্লাহ,আব্দুল হাই,আব্দুল খালেক,আব্দুল মালেক ইত্যাদি।অপর দিকে আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কোন নামের পুর্বে 'আবদ' বা গোলাম শব্দ যোগে নামকরন চরম বেয়াদবি বা শিরক। যেমন গোলাম নবী বা আব্দুল নবী ইত্যাদি।
রহমান রহীম আল্লাহ্ তায়ালার নামে-
আত্ন গরিমা বা অহংকারপুর্ন নাম আল্লাহর কাছে অত্যন্ত গৃন্য।যেমন শাহেন শাহ, মালেকুল আমলাখ,সুলতানুস সালাতিন ইত্যাদি।
যে নাম অতি বিশেষন মুলক তাও নামকরন নিষিদ্ধ।যেমন; খায়রুল বাশার,খায়রুল আনাম।সা্য়্যেদুন নাস ইত্যাদি। তাছারা মুবারক,মুসলেহ,খায়ের,সুরুর,নিয়ামত,ইত্যাদি নাম গুলু রাসুল পাক সাঃ অপছন্দ করতেন।
পবিত্র কোরআন শরীফেরে কোন সুরার হরফের নামে নাম করনও ঠিক নয়।যেমন-ইয়া-সীন,তা-হা,হা-মিম ইত্যাদি।
তাছারা কোন অশুভ নামে নামকরন করাও উচিৎ নয়।যেমন- হারব, মুররা ইত্যাদি।
বহু ওলামাগন এক্ষেত্রে একমত যে ফিরিশতাদের নামে নাম করন উচিৎ নয়।যেমন- ইসরাফিল,আজরাইল,মিকাইল,রুহুল আমিন(জিবরাইল আঃ এর অপর নাম) ইত্যাদি।
নবী রাসুল গনের নামে বা উনাদের গুনগত নামে মুসলমানদের নামকরন ভাল।যেমন- মুসা,ইসা,দাউদ ইত্যাদি।
কিন্তু নবীদের লকবে কেউর নামকরন করা উচিৎ নয়।যেমন:- নবীউল্লাহ,খলিলুল্লাহ,রুহউল্লাহ,রসুলুল্লাহ, আবুল বাশার(শুধুমাত্র আদম আঃ জন্য প্রযোজ্য)। সাহাবী রাঃ ,তাবেয়ী,সালফ সালেহীনদের নামে নামকরন করাও উত্তম।
মোসলমানদের নামকরন আরবী শব্দেই হওয়া উত্তম।কোরআন ও হাদিসে উল্লেখিত কোন কোন নবী,রাসুল ও সাহাবাদের নামের অর্থ পাওয়া যায় আবার কোন কোন নামের অর্থ পাওয়া যায় না।তারপরও উনাদের নামের সঙ্গে নাম মিলিয়ে রাখাই উত্তম। মোসলমানদের মুল নামের পর পিতার নাম যুক্ত করা যেতে পারে।এক্ষেত্রে পুত্রের নামের পর ইবনে ও কন্যার নামের পর বিনতে লাগিয়ে পতার নাম যুক্ত করা যেতে পারে। যেমন: আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর,ফাতিমা বিনতে ওসমান ইত্যাদি। সর্বশেষ আমাদের যে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে,তা হচ্ছে সরাসরি আল্লাহর নাম ধরে কাউকে ডাকা একেবারে অনুচিৎ।যেমন-রাহমান,খালেক,রাজ্জাক,বারি, হাই,জব্বার ইত্যাদি।এ সকল নামের পুর্বে অবশ্যই 'আবদ' বা গোলাম যোগ করে কাউকে ডাকা উচিৎ।কেউ যদি না জেনে কোন ভুল নাম রেখে ফেলে এবং পরবর্তীতে শোধরানো সম্ভব না হয়, তবে আল্লাহ নিশ্চয়ই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। পরিশেষে আল্লহ পাক আমাদের সবাইকে উত্তম নামের অধিকরী হয়ে পুর্ন ইমানদার হওয়ার তৌফিক দান করুন।আমিন।
হতে হবে।তাই মোসলমানদের নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রেও ইসলামী বিধান মানা আবশ্যক।ইসলামী নাম নির্বাচন একটি গুরুত্বপুর্ন
বিষয়।কারন।হাশরেরে ময়দানে আল্লাহ পাক মানুষের নাম ধরেই ডাকবেন।তাই নাম নির্বার্চনের ক্ষেত্রে ভুল হলে বিচারের পুর্বেই আসামী হতে হবে।কোরআনে ও হাদীসে যে সকল নাম পাওয়া যায় সে গুলিই ইসলামী নাম।রাসুল পাক সাঃ ভাল নাম পছন্দ করতেন ও খারাপ নাম ঘৃনা করতেন।তাই রাসুল পাক সাঃ বহু সাহাবির নাম নাম পরির্তন করে নুতন নাম রেখেছেন।নাম ধারীর উপর ভাল মন্দ নামের প্রভাব আছে।
আল্লাহর কাছে সব চেয়ে প্রিয় নাম আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রাহমান।রাসুল পাক সাঃ ২০ জনেরও অধিক সাহাবির নাম পরিবর্তন করে এই নাম রাখেন।সাহাবিদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জনের নাম ছিল আব্দুল্লাহ ও শতাধিক সাহাবির নাম ছিল আব্দুর রাহমান।
আল্লাহর নামের পুর্বে 'আবদ' (গোলাম বা চাকর) যোগে নামকরন আল্লাহর খুব প্রিয়।যেমন- আব্দুল্লাহ,আব্দুল হাই,আব্দুল খালেক,আব্দুল মালেক ইত্যাদি।অপর দিকে আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কোন নামের পুর্বে 'আবদ' বা গোলাম শব্দ যোগে নামকরন চরম বেয়াদবি বা শিরক। যেমন গোলাম নবী বা আব্দুল নবী ইত্যাদি।
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
সগ্রহকারি- মোঃ রোকন সরকার
আত্ন গরিমা বা অহংকারপুর্ন নাম আল্লাহর কাছে অত্যন্ত গৃন্য।যেমন শাহেন শাহ, মালেকুল আমলাখ,সুলতানুস সালাতিন ইত্যাদি।
যে নাম অতি বিশেষন মুলক তাও নামকরন নিষিদ্ধ।যেমন; খায়রুল বাশার,খায়রুল আনাম।সা্য়্যেদুন নাস ইত্যাদি। তাছারা মুবারক,মুসলেহ,খায়ের,সুরুর,নিয়ামত,ইত্যাদি নাম গুলু রাসুল পাক সাঃ অপছন্দ করতেন।
পবিত্র কোরআন শরীফেরে কোন সুরার হরফের নামে নাম করনও ঠিক নয়।যেমন-ইয়া-সীন,তা-হা,হা-মিম ইত্যাদি।
তাছারা কোন অশুভ নামে নামকরন করাও উচিৎ নয়।যেমন- হারব, মুররা ইত্যাদি।
বহু ওলামাগন এক্ষেত্রে একমত যে ফিরিশতাদের নামে নাম করন উচিৎ নয়।যেমন- ইসরাফিল,আজরাইল,মিকাইল,রুহুল আমিন(জিবরাইল আঃ এর অপর নাম) ইত্যাদি।
নবী রাসুল গনের নামে বা উনাদের গুনগত নামে মুসলমানদের নামকরন ভাল।যেমন- মুসা,ইসা,দাউদ ইত্যাদি।
কিন্তু নবীদের লকবে কেউর নামকরন করা উচিৎ নয়।যেমন:- নবীউল্লাহ,খলিলুল্লাহ,রুহউল্লাহ,রসুলুল্লাহ, আবুল বাশার(শুধুমাত্র আদম আঃ জন্য প্রযোজ্য)। সাহাবী রাঃ ,তাবেয়ী,সালফ সালেহীনদের নামে নামকরন করাও উত্তম।
মোসলমানদের নামকরন আরবী শব্দেই হওয়া উত্তম।কোরআন ও হাদিসে উল্লেখিত কোন কোন নবী,রাসুল ও সাহাবাদের নামের অর্থ পাওয়া যায় আবার কোন কোন নামের অর্থ পাওয়া যায় না।তারপরও উনাদের নামের সঙ্গে নাম মিলিয়ে রাখাই উত্তম। মোসলমানদের মুল নামের পর পিতার নাম যুক্ত করা যেতে পারে।এক্ষেত্রে পুত্রের নামের পর ইবনে ও কন্যার নামের পর বিনতে লাগিয়ে পতার নাম যুক্ত করা যেতে পারে। যেমন: আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর,ফাতিমা বিনতে ওসমান ইত্যাদি। সর্বশেষ আমাদের যে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে,তা হচ্ছে সরাসরি আল্লাহর নাম ধরে কাউকে ডাকা একেবারে অনুচিৎ।যেমন-রাহমান,খালেক,রাজ্জাক,বারি, হাই,জব্বার ইত্যাদি।এ সকল নামের পুর্বে অবশ্যই 'আবদ' বা গোলাম যোগ করে কাউকে ডাকা উচিৎ।কেউ যদি না জেনে কোন ভুল নাম রেখে ফেলে এবং পরবর্তীতে শোধরানো সম্ভব না হয়, তবে আল্লাহ নিশ্চয়ই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। পরিশেষে আল্লহ পাক আমাদের সবাইকে উত্তম নামের অধিকরী হয়ে পুর্ন ইমানদার হওয়ার তৌফিক দান করুন।আমিন।
No comments:
Post a Comment